নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলে সংসদীয় নির্বাচন ঘিরে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। এবারের নির্বাচনকে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর জন্য একটি কঠিন রাজনৈতিক পরীক্ষা ও দেশটির ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় দেশের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র খুলে যায়। এরপর থেকেই শুরু হয় ভোটদানের প্রক্রিয়া। এই নির্বাচনে ৭৩ লক্ষেরও বেশি মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে। দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই তৎপরতা শুরু হয়েছে। ভোটারদের রায় আগামী দিনে ইজরায়েলের রাজনৈতিক সমীকরণে কী প্রভাব ফেলে, সেদিকেই নজর রয়েছে। সংসদীয় নির্বাচনে নাগরিকদের অংশগ্রহণ এবং ভোটের মাধ্যমে তাঁদের মতামত প্রকাশের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণের পর্বে বিপুল সংখ্যক ভোটার তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ইজরায়েলের এই নির্বাচনের ফলাফল দেশের সরকার গঠন এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ইজরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির দিকেও আন্তর্জাতিক মহলের নজর রয়েছে। তবে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরই স্পষ্ট হবে নির্বাচনে ভোটারদের রায় কোন দিকে গিয়েছে। আপাতত ৭৩ লক্ষেরও বেশি ভোটারের অংশগ্রহণে শুরু হওয়া এই নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ তুঙ্গে।
১৯ বছর ক্ষমতায় থেকে ইজরায়েলের সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের নেতা হলেও নেতানিয়াহু এখনও শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন নেতানিয়াহু। আবারও ক্ষমতায় ফিরতে হলে তাকে বর্তমান সরকারে থাকা উগ্র ডানপন্থী ও অতি-রক্ষণশীল ইহুদি দলগুলোর সঙ্গে নতুন করে জোট গড়তে হবে। তার বর্তমান জোটই ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে ডানপন্থী সরকার।




