নিউজ ডেস্ক : ধনদেবীর আরাধনা মেতে উঠেছে বঙ্গবাসী। দেবী লক্ষ্মীকে তুষ্ট করতে রয়েছে বেশ কিছু নিয়ম। ভোগ নিবেদনের রীতিতেও রয়েছে নানান নিয়ম। দেবীকে খুশি করতে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় ভোগের থালায় রাখুন এই ৬ ধরনের প্রসাদ।
১) নারকেল ও তিলের নাড়ু: নারকেল যাকে শ্রী ফল বলা হয়ে থাকে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় নারকেল ও তিলের নাড়ু নিবেদনের বিশেষ প্রচলন রয়েছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই মিষ্টি নৈবেদ্য দেবীর চরণে অর্পণ করলে সংসারে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় থাকে। দেবী খুব খুশি হন এই মিষ্টান্নতে।
২) ক্ষীর ও চালের পায়েস: দুধ, চাল ও চিনি দিয়ে তৈরি ক্ষীর বা পায়েস লক্ষ্মীপুজোর অন্যতম নৈবেদ্য। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, ভক্তিভরে পায়েস অর্পণ করলে সংসারে সুখ-ঐশর্য বজায় থাকে।
৩) খিচুড়ি ও লাবড়া: লক্ষ্মীপুজোর ভোগে গোবিন্দভোগ চাল ও মুগ ডালের খিচুড়ি বিশেষভাবে প্রচলিত। তার সঙ্গে পাঁচ রকমের সবজি। অন্ন ও শস্যের এই নিবেদন সংসারে অন্নের প্রাচুর্য এবং সুখ-সমৃদ্ধির প্রতীক বলে মনে করা হয়।
৪) নানা পদের মিষ্টি: রসগোল্লা, সন্দেশ-সহ বিভিন্ন মিষ্টি লক্ষ্মীপুজোর ভোগে রাখা হয়। মূলত সাদা রঙের মিষ্টি বেশি পছন্দ করে থাকেন দেবী। মিষ্টান্ন আনন্দ, তৃপ্তি ও শুভতার প্রতীক। দেবীকে মিষ্টি নিবেদন করে ভক্তরা সুখ, শান্তি ও আর্থিক উন্নতির প্রার্থনা করেন।
৫) লুচি ও সুজির হালুয়া: কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর ভোগে লুচি ও সুজির হালুয়া রাখার রীতিও প্রচলিত রয়েছে যুগ যুগ থেকে। ঘি দিয়ে তৈরি সুস্বাদু হালুয়া এবং লুচি ভোগের থালায় বিশেষ স্থান পায়। এটি ছাড়া মায়ের ভোগ অসম্পূর্ণ।
৬) পঞ্চফল ও মরশুমি ফল : কলা, নারকেল, শশা, আঙুর-সহ বিভিন্ন ফল লক্ষ্মীপুজোর নৈবেদ্যে রাখা হয়। শাস্ত্রীয় রীতি ও পারিবারিক প্রথা মেনে ফল নিবেদন করে দেবীর আশীর্বাদ কামনা করেন ভক্তরা। লক্ষীদেবির ভোগে এই নৈবেদ্য গুরুত্বপূর্ণ।




