নিউজ ডেস্ক: ভোট মুখে উত্তপ্ত মালদহ। এক বিজেপি নেতা-সহ দলের পাঁচ কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল নেতা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। ঘটনায় পাঁচজনই আহত হয়েছেন বলে খবর। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে পুরাতন মালদহের ব্লকের মঙ্গলবাড়ি এলাকার নলডুবি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কোনও একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়।অভিযোগ, সেই বচসা ধীরে ধীরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির চেহারা নেয়। এরপরই তৃণমূল নেতার পরিবারের সদস্যরা বিজেপি নেতা ও কর্মীদের উপর চড়াও হন। তাঁদের হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল বলে অভিযোগ। আচমকা হামলায় কয়েকজন বিজেপি কর্মী আহত হন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
আহত বিজেপি কর্মীদের দাবি, পরিকল্পনা করেই তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে বলেও অভিযোগ বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের। তাঁদের বক্তব্য, এলাকায় বিজেপির সংগঠন শক্তিশালী হওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে বিরোধ তৈরি হচ্ছিল। সেই বিরোধের জেরেই এই হামলা বলে দাবি তাঁদের।
ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছয় পুলিশ। পরিস্থিতি যাতে আরও উত্তপ্ত না হয়ে ওঠে, সেই জন্য এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। হামলার ঘটনায় কারা সরাসরি জড়িত ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আহতদের অভিযোগ এবং ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের বক্তব্যও তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
সম্প্রতি, অসামাজিক কার্যকলাপের প্রতিবাদ করায় যাদবপুরে আক্রান্ত হন দুই বিজেপি কর্মী।আক্রান্তরা হলেন সৌম্যদীপ সাহা ও রাতুল মণ্ডল। অভিযোগের তীর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকে।যাদবপুর থানার অন্তর্গত লালকা মাঠের কাছে এই মারধরের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, মধ্যরাত ১টা নাগাদ বাড়ি ফেরার পথে ওই লালকা মাঠ এলাকায় অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিল। তা দেখে প্রতিবাদ করেন দুই বিজেপি কর্মী।
প্রতিবাদ করতেই তাঁদের মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যাদবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা। যদিও নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সামনেই রাজ্যের দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন। তার আগে ফের বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা অভিযোগ সামনে আসতেই নতুন করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।
