ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল হাওড়ার বেলুড়ের একটি জুটমিলের গোডাউন। জুটমিলটির নাম অম্বিকা জুটমিল।বুধবার সকাল নাগাদ এই জুটমিলে আগুন লাগে। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে একটি কাটিং মেশিনের শর্ট সার্কিট থেকেই এই আগুন লেগেছে। মিলটির আগুন নেভানোর জন্য দমকলের তিনটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আসে।
অম্বিকা জুটমিল স্থাপিত হয়েছিল ১৯৪১ সালে। এই জুটমিল 'কাঙ্কারিয়া গ্রুপ'-র মালিকানাধীন। এই জুটমিলটির হেডঅফিস ৫,মিডলটন স্ট্রিট,কলকাতায়।হরেন মুখার্জী রোড, বেলুড় মঠের কাছে অবস্থিত এই মিলটির মূল উৎপাদিত পণ্য জুট স্যাক ব্যাগ(পাটের বস্তা), ফুড গ্রেড জুট ব্যাগ,পাটের সুতো ইত্যাদি।
অন্যদিকে কলকাতার বড়বাজারেও ঘটেছে আরেকটি ভয়াবহ অগ্নিকান্ড। পন্ডিত পুরুষোত্তম রায় স্ট্রিটের কাছে একটি প্লাস্টিক শিট কারখানায় আগুন লাগে। আজ ভোর চারটে নাগাদ কারখানাটিতে হঠাৎই আগুন ধরে যায়। আগুন নেভাতে আসে দমকলের আটটি ইঞ্জিন। প্লাস্টিকজাত পণ্য থাকার দরুন আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এই কারখানাটিতে। কলকাতার এবং বেলুড়ের অগ্নিকান্ড সামাল দিতে দমকলকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়।
ঠিক এখানেই প্রশ্ন উঠছে। হাওড়া এবং কলকাতার এই দুটি জনঘনত্বপূর্ণ অঞ্চলে অগ্নিকান্ড নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কী সঠিকভাবে পালিত হচ্ছে? তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে সেই বিষয়ে। ইলেকট্রিক কানেকশন,অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তার মান যথাযথ ছিল কিনা,কর্তৃপক্ষের গাফিলতি আছে কিনা সেই বিষয়েও বিশেষভাবে তদন্ত হবে। সমস্ত রিপোর্ট যথাযথ পরীক্ষার পর এই বিষয়ে সচেতনতা এবং নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হবে বলে জানা যাচ্ছে।