নিউজ ডেস্ক: আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান। ডার্বির রং সবুজ-মেরুন। এ যেন ছিল বদলার ম্যাচ। যেই আভাস আগেই পাওয়া গিয়েছিল মোহনবাগান কোচ প্যানোসের কথায়। যে এবারের ডার্বিটা প্রেস্টিজ ফাইট। মাঠে যেন সেই প্রতিছবিই দেখা গেল। লাল-হলুদের ডিফেন্সে কার্যত একের পর এক আক্রমণ চালান দ্রাদ্রিজ , ছাংতেরা। সেই ফলই দেখা গেল মাচের রেজাল্টে। শিল্ড ফাইনালে ডার্বির ফলাফল ১-০ গোলে জয় মোহনবাগানের। সবুজ-মেরুনের হয়ে গোল যেজকোভিচের। কলকাতা লিগ জয়ের পর শিল্ড চ্যাম্পিয়ন সবুজ-মেরুন।
ম্যাচের ফলাফল এরকম হলেও, ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপায় আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল। ম্যাচের ৫ মিনিটের মাথায় সুযোগ চলে আসে লাল-হলুদের সামনে। সুযোগ নষ্ট করেন এডমুন্ড। এরপর পাল্টা আক্রমণে ঝাঁপায় প্যানোসের দল। তিনকাঠি লক্ষ্য করে শট নেন এরউইন। যদিও তা বাঁচিয়ে দেন লাল-হলুদ গোলরক্ষক লাচেংপা। এরপর ফের সুযোগ চলে আসে সবুজ-মেরুনের সামনে। এবার ছাংতে। ম্যাচের ২২ মিনিটে হেড মেহতাব সিং-এর। এরপর ম্যাচের ৩৫ মিনিটে ফের সুযোগ চলে আসে ছাংতের সামনে। তবে এবারও তা বাঁচিয়ে দেন লাচেংপা । তবে এরপরই গোল পেয়ে যায় মোহনবাগান। বাগানের হয়ে গোল জেজকোভিচের। কার্যত ডিফেন্সের ভুলেই গোল হজম করে হাবাসের দল। ম্যাচের প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকে সবুজ-মেরুন।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের দাপট দেখায় প্যানোসের দল। শুরুতেই একা গোলরক্ষক পেয়ে যান সাহাল। তবে অফসাইডে জালে জড়িয়ে পড়েন তিনি। তবে এরপরই পাল্টা আক্রমণে যায় লাল-হলুদ। কর্নার থেকে সুযোগ আসে হাবাসের দলের সামনে। রশিদের কর্নার হেড দেন জেলস্কি। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে জোরালো শট নেব জেলস্কি। তবে পাল্টা শট ছাংতের। এরপর ম্যাচে জোড়া বদল আনেন হাবাস। সন্দীপ মান্ডি, বিপিন সিংকে তুলে একে লোবা এবং পিভি বিষ্ণুকে নামান তিনি। এরপর ম্যাচের ৬৬ মিনিটে সাহালকে তুলে মনবীরকে নামান প্যানোস। এরপর আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ায় বাগান শিবির। ইস্টবেঙ্গলের সেকেন্ড পোস্ট লক্ষ্য করে শট নেন ছাংতে। তবে এবারও বাঁচিয়ে দেন লাল-হলুদ গোলরক্ষক। এরপর ম্যাচ ড্র-এর জন্য বেশ আক্রমণে জাপায় লোবা, বিষ্ণুরা। তবে কাজের কাজ কিছু হল না।