নিউজ ডেস্ক: হাওড়ায় রাজ্য প্রশাসনের সদর দফতর নবান্নের কাছেই এক যুবকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল। রবিবার সকালে শরৎ চ্যাটার্জি রোডে দু’টি বহুতল বাড়ির মাঝের রাস্তা থেকে দেহটি উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় চ্যাটার্জিহাট থানার পুলিশ। কীভাবে ওই যুবকের মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম অঞ্জন চক্রবর্তী। এলাকায় তিনি ‘ছোটকা’ নামেই পরিচিত ছিলেন। বয়স ৩৫ বছর। তিনি ওই এলাকারই বাসিন্দা এবং পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান ছিলেন। নবান্ন থেকে খুব বেশি দূরে নয়, এমন একটি জায়গায় তাঁর দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। দেহ উদ্ধারের সময় তাঁর মাথা থেকে রক্ত বেরোচ্ছিল। কাছেই বেশ কিছু পেরেক পড়ে থাকতে দেখা যায়। কী ভাবে তাঁর মাথায় আঘাত লাগল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, কোনওভাবে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত লেগে মৃত্যু হতে পারে। যুবক নেশা করত বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। তবে এই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি পুলিশ। দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও ঘটনা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আপাতত অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে চ্যাটার্জিহাট থানার পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সম্প্রতি, তিন দিন নিখোঁজ থাকার পরে গ্রামের পাশের পুকুরের জল থেকে উদ্ধার হল এক যুবকের মৃতদেহ। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে সাঁইথিয়া থানার মাঠপলসা পঞ্চায়েত এলাকার কামারডাঙা গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম বিপ্লব মাহারা ওরফে রকি (২২)। পরিবারের অভিযোগ, বিপ্লবকে খুন করা হয়েছে। পরে পুকুর থেকে দেহ উদ্ধার করে সিউড়ি সদর হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়। কী ভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।