নিউদিল্লি: এবার নয়াদিল্লির নির্দিষ্ট এলাকায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হচ্ছে ইন্টারনেট পরিষেবা। নির্দেশ অনুযায়ী, ৯ অক্টোবর রাত ১০টা থেকে ১০ অক্টোবর রাত ১০টা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। অর্থাৎ, টানা ২৪ ঘণ্টা ওই নির্দিষ্ট এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যবহার করতে পারবেন না সাধারণ মানুষ।
কয়েকদিন ধরেই জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে মুম্বইয়ে জমায়েত করেছিল সিজেপি। সেখান থেকেই যন্তরমন্তরে ফের প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়। শনিবার দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের জেরে রেল ও মেট্রো পরিষেবায় বড়সড় প্রভাব পড়তে পারে। ককরোচ জনতা পার্টির এই বিক্ষোভ ঠেকাতে দিল্লিতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শনিবার, দিল্লিতে ট্রেন, মেট্রো চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। শুক্রবার সেই মামলার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য, ‘মাছি মারতে কেউ হাতুড়ি চালায় না'।
দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ৫৭টি মেট্রো স্টেশনে শুক্রবার রাত ৯টা থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ বন্ধ রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সঙ্গে শনিবার নিউ দিল্লি ও হজরত নিজামউদ্দিন রেলস্টেশন থেকে আসা-যাওয়া করা বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। প্রায় ২৩ হাজার কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ সদস্যকে দিল্লি পুলিশের সহায়তায় মোতায়েন করা হয়েছে।
ইতিমধ্যে, শুক্রবার রাতের হাওড়া এবং শিয়ালদহ থেকে দিল্লিগামী দুটি গুরুত্বপূর্ণ রাজধানী এক্সপ্রেস-সহ একাধিক ট্রেন বাতিল করেছে রেল। পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা আন্দোলনকারীদের দিল্লিতে পৌঁছোনো আটকাতে রেল, পুলিশ ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে। এছাড়াও, যন্তর মন্তর সংলগ্ন এলাকায় জারি করা হয়েছে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা।