নিউজ ডেস্ক: বড় বিনিয়োগ টানতে তৎপর রাজ্য সরকার। সেই লক্ষ্যে দিল্লিতে ব্রিকেস সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি মুম্বইয়ে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানির সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ব্রিকসের ওই নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়াও ব্রিকস সদস্য দেশগুলির শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতি থাকার কথা। ফলে আন্তর্জাতিক স্তরের একাধিক রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে একই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন শুভেন্দু। শুক্রবার, এ কথা নিজেই একথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷
শুভেন্দু জানিয়েছেন, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর রাজ্যে আসছেন আদানি গোষ্ঠীর কর্ণধার গৌতম আদানি৷ কলকাতার নিউ টাউনে আদানি গোষ্ঠীর প্রস্তাবিত ২ হাজার শয্যার হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন তিনি। একইসঙ্গে মুম্বই সফর প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি মুকেশ আম্বানির সঙ্গে দেখা করবেন। পাশাপাশি অনন্ত আম্বানি তাঁকে গণেশ পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লিতে বসছে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন। নয়াদিল্লির ‘ভারত মণ্ডপম’-এ এই শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করছে ভারত। সেখানেই থাকবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। ব্রিকস সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নিতে শনিবার বিকেলেই দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। তারপর মুম্বই সফরে যাবেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে রিলায়েন্স গোষ্ঠীর কর্ণধার মুকেশ আম্বানির সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। আলোচনায় পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের সুযোগ, শিল্প সম্প্রসারণ এবং নতুন প্রকল্পের সম্ভাবনা উঠে আসতে পারে। বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলিকে বাংলায় বিনিয়োগে উৎসাহিত করাই এই ধরনের আলোচনার অন্যতম লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজ্যে শিল্পায়নের গতি বাড়াতে দীর্ঘদিন ধরেই বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর কথা বলা হচ্ছে। কর্মসংস্থান তৈরি এবং নতুন শিল্প প্রকল্প আনার পাশাপাশি বাংলার ব্যবসায়িক পরিবেশ নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে মুম্বইয়ে আম্বানির সঙ্গে শুভেন্দুর সম্ভাব্য বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে, ব্রিকস সম্মেলন ঘিরে দিল্লিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতা ও প্রতিনিধিদের সমাগম হচ্ছে। সেই আন্তর্জাতিক আবহে শুভেন্দুর নৈশভোজে যোগদানের সম্ভাবনা এবং পরবর্তী সময়ে মুম্বইয়ে শিল্পপতির সঙ্গে বৈঠক—দুই কর্মসূচিই রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।




