নিউজ ডেস্ক: ১৯৮০ ও ৯০-এর দশকে বাংলা সিনেমায় অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা তাপস পালের আজ জন্মদিন। ‘দাদার কীর্তি’, ‘সাহেব’-সহ একাধিক সফল ছবিতে অভিনয় করে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। ২০২০ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর মৃত্যু হয় তাঁর। প্রায় ছ’বছর হয়েগেল তিনি আমাদের মাঝে নেই। আজ তাঁর জন্মদিনে তাকে স্মরণ করে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় একটি আবেগপূর্ণ পোস্ট করেছেন সামাজিক মাধ্যমে। দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও বন্ধুর সঙ্গে কাটানো অসংখ্য স্মৃতির কথা তুলে ধরে সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, “একসাথে কত বছর, কত গল্প, কত হাসি… ২৯ সেপ্টেম্বর এলেই আজও কত স্মৃতি মনে পড়ে… তোকে খুব মনে পড়ে রে। শুভ জন্মদিন রে তাপস। যেখানে থাকিস, ভালো থাকিস। ”
https://x.com/prosenjitbumba/status/2104799357942079566
বাংলা চলচ্চিত্রে দুই অভিনেতাই দারুন জনপ্রিয় ছিলেন। প্রসেনজিৎ ও তাপস পালের বন্ধুত্ব ছিল দীর্ঘদিনের। তাঁদের বন্ধুত্ব ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছিল। 'সংঘর্ষ', 'প্রাণের চেয়ে প্রিয়', 'চোখের আলোয়', 'প্রতিশোধ', 'শুধু তোমারই'র মতো জনপ্রিয় ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি ও তাপস পাল। সিনেমায় একসঙ্গে কাজের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও তাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ ছিল। তাপস পালের প্রয়াণের পর বিভিন্ন সময়ে তাকে স্মরণ করেছেন প্রসেনজিৎ।
প্রসঙ্গত, তাপস পালের স্ত্রী নন্দিনী মুখার্জি পালও সমাজমাধ্যমে একটি লেখা পোস্ট করেছেন তাঁর স্বামীর জন্মদিন উপলক্ষে। তিনি লেখেন, 'জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা, আজ তোমার জন্মদিনে, তোমার অনুপস্থিতি আমাকে এমন এক তীব্র যন্ত্রণায় ডোবায় যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না, তবুও প্রতি মুহূর্তে আমি তোমাকে আমার পাশেই অনুভব করি। আমাদের মেয়ে বিগ বস বাংলার (Bigg Boss Bangla) হাউস থেকে ফিরে এসেছে, আর আমার কোথাও না কোথাও মনে হয়, তুমি তোমার ছোট্ট মেয়েটির সঙ্গেই ছিলে, সবসময় তার ওপর নজর রেখেছ, নিজের মতো করে তাকে রক্ষা করেছ। বিগ বস একটা খেলা, আর জীবনও একটা খেলা; তবে জীবনই সবচেয়ে আসল খেলা, যেখানে প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের সামনে উন্মোচিত হয় এবং পরের মুহূর্তে কী আসবে তা আমরা কেউ জানি না।’ তিনি আরও লেখেন, 'যখন সে জন্মায়, তুমি উত্তরবঙ্গে তোমার আউটডোরে ছিলে, আর আমার এখনও মনে আছে তুমি কীভাবে দৌড়ে এসেছিলে। তুমি সবসময় মেয়েদের খুব ভালবাসতে, এবং আমি তোমার মধ্যে লিঙ্গবৈষম্যের সামান্যতম ছাপও দেখিনি। তোমার কাছে, ছেলে বা মেয়ে মানেই ছিল এমন এক সন্তান যাকে ভালবাসতে হবে, লালন-পালন করতে হবে এবং ওড়ার জন্য ডানা দিতে হবে। আমাদের বিয়ের বাহান্ন বছর হয়ে গিয়েছে, যদিও তুমি এখন আর নেই, তবুও তুমি আমার স্বামী, এবং যতদিন না আমি চোখ বুজছি, তুমি আমার স্বামী হিসেবেই থাকবে।’
