কলকাতা, নিউজ ডেস্ক: আজ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। সেই উপলক্ষে ক্যাথিড্রাল রোডে আয়োজিত হচ্ছে বিশেষ কর্মসূচি। প্রতিষ্ঠা দিবসের পাশাপাশি সেখানে পালিত হচ্ছে রাখিবন্ধন উৎসবও। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়েছে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ শীর্ষ নেতৃত্বের একাংশ।
এ বার মেয়ো রোডে নয়, ক্যাথিড্রাল রোডে এই কর্মসূচি হচ্ছে। একই দিনে শহরের অন্যত্র তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের তরফেও পৃথক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ফলে একই দলের দুই শিবিরের শক্তি প্রদর্শন ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
ক্যাথিড্রাল রোডের কর্মসূচিতে মূলত ছাত্র ও যুব সমাজকে সামনে রেখে বার্তা দিতে চাইছে তৃণমূলের মূল শিবির। নতুন প্রজন্মের সঙ্গে দলের যোগাযোগ আরও মজবুত করা এবং আগামী দিনে ছাত্র-যুবদের রাজনৈতিকভাবে আরও সক্রিয় করার বার্তা উঠে আসতে পারে মঞ্চ থেকে।
অন্যদিকে, একই দিনে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে বিদ্রোহী শিবিরের পৃথক সভা ঘিরেও প্রস্তুতি চলছে। ফলে ২১ জুলাইয়ের পর ফের ২৮ অগস্টে একই দলের দুই শিবিরের পৃথক কর্মসূচিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ক্যাথিড্রাল রোডের প্রতিষ্ঠা দিবসের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা এবং পাল্টা বিদ্রোহী শিবিরের রাজনৈতিক অবস্থান—দুই সভাই তাই যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
প্রসঙ্গত,রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূল কংগ্রেস দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে এর আগে ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের কর্মসূচি পালন নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সেবারও আদালতের হস্তক্ষেপে ঋতব্রত শিবির মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে এবং মমতার শিবির ক্যাথিড্রাল রোডে সভার অনুমতি পায়। এবার ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন ঘিরেও ঠিক একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল।