স্যার, আমাদের স্কুলে একবার আসবেন? মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে খুদেদের একটাই আবদার। গাড়ির দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাকে ঘিরে ছোট ছোট হাত। কারোর হাতে জাতীয় পতাকা এবং কারো চোখে মুখ্যমন্ত্রীকে কাছ থেকে দেখার উচ্ছ্বাস। রাস্তার ধারে সারি সারি দাঁড়িয়ে খুদেরা। পরনে স্কুলের পোশাক এবং হাতে হাতে তেরঙ্গা। মুখে একটাই আবদার স্যার, আমাদের স্কুলে একবার আসবেন? কেশপুরে সভায় পৌঁছানোর তাড়াহুড়ো তার উপরে খারাপ আবহাওয়ার ধাক্কায় ইতিমধ্যেই বদলে গেছে যাত্রাপথ। ব্যস্ততার সাথে ও মুচকি হেসে খুদে পড়ুয়াদের সাথে কথা বললেন শুভেন্দু অধিকারী। তাদের সাথে ছবিও তোলেন তিনি।
হেলিকপ্টারে চেপে কলকাতা থেকে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে যাওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। কিন্তু মেদিনীপুরের আবহাওয়া খারাপ থাকায় এই পরিকল্পনা বদলাতে হল। তিনি কোলাঘাট থেকে সড়ক পথেই কেশপুরে রওনা দেন। আর সেই পথেই ঘটে যায় এই ছোট্ট অথচ নজরকাড়া মুহূর্ত।
মুখ্যমন্ত্রীকে এতটা কাছে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বাসিত পড়ুয়ারা। সেই আবেগ থেকেই এক খুদের মুখে শোনা যায়, 'স্যার, একবার আমাদের স্কুলে আসবেন?' খুদের এমন আবদারে মুচকি হাসেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও হাতের সময় কম কেশপুরে সভা রয়েছে, তাই সেইমুহূর্তে পড়ুয়াদের আবদার অসম্পূর্ণ রয়ে যায়। হাসিমুখেই তাদের বিদায় জানিয়ে গন্তব্যের পথে রওনা হন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের মোহবনিতে সভা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানে ক্ষুদিরাম বসুকে ঘিরেও একাধিক ঘোষণা করেন তিনি। জানান, মোহবনিতে ক্ষুদিরাম বসুর পৈতৃক বাড়ি সংস্করণ করা হবে। পাশাপাশি, একটি গ্যালারি তৈরি করা হবে ক্ষুদিরাম বসু কে নিয়ে। সেই সাথে দর্শকদের জন্য সেখানে লেজার শো এর ব্যবস্থা থাকবে বলে ঘোষণা করা হয়।
তবে, দিনের রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা ক্ষুদেদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর এই কয়েক মুহূর্তের সাক্ষাৎই আলাদা করে নজর কাড়ল।