পাথর সম্রাট টুলু মন্ডল। প্রতিনিয়ত তাকে ঘিরে তদন্তে উঠে আসছে একাধিক নয়া মোড়। বেশ কিছুদিন আগেই টুলু ঘনিষ্ঠ নইমুদ্দিন মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সিউড়ির এসিজেএম আদালত ২১ অগস্ট পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল। আর এই জেল হেফাজতের মাঝেই শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন নইমউদ্দিন। বর্তমানে বর্ধমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দেন তিনি।
পুলিশি হেফাজতে থাকাকালিনই অসুস্থ হয়ে পড়েন নইমুদ্দিন। তারপরেই তাকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। তার শারীরিক অবস্থার কথা খোঁজ নেন বিচারপতি। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দেওয়ার বিষয়টিও অনুমতি দেন তিনি। তবে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে নইমুদ্দিনের জামিনের আবেদন করা হলে তা খারিজ করে দেয় আদালত। তাই আপাতত জেল হেফাজতেই থাকতে হচ্ছে টুলু ঘনিষ্ঠ নইমুদ্দিনকে।
এরই পাশাপাশি টুলু মন্ডলের তদন্তের গতি বাড়ানো হয়েছে তদন্তকারীদের পক্ষ থেকে। ইতিমধ্যেই টুলুর ম্যানেজার সীতেশ প্রামাণিকের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এবং সেই লেখা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এরই পাশাপাশি টুলুর কর্মচারী আনসারুলের হাতের লেখার নমুনা নেওয়ার জন্যও আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে। বিচারক সেই আবেদন ইতিমধ্যেই মঞ্জুর করেছেন।
এই মামলার সূত্র ধরেই সিউড়ির কল্পতরুপল্লীতে অভিযান চালায় পুলিশ। শুধু তাই নয় ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের কর্মী প্রবীর দাসের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একের পর এক টুলু মন্ডল ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের বাড়িতে চলছে অভিযান। তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষে গ্রহণ করা হচ্ছে। আগামীদিনে এই তদন্তের মোড় কোন দিকে যায় সেটাই দেখার।