এবার আত্মসমর্পণ করলেন মাওবাদীদের নেতা ও নেত্রী। অভিযুক্তদের নাম মালতী এবং মঙ্গল। সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। জানা গিয়েছে, মাওবাদী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য মঙ্গল ও মালতী ঝাড়খণ্ড থেকে এসে ঝাড়গ্রাম এলাকায় কাজ করত। মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে মঙ্গল ও মালতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শুক্রবার কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ সাংবাদিক সম্মেলনে এই তথ্য জানান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দু’জনই আত্মসমর্পণ করেছেন। তাঁদের অতীত মাওবাদী কার্যকলাপ এবং ঝাড়খণ্ডে চলে যাওয়ার বিষয়টি নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশ কমিশনার জানান, মঙ্গল ও মালতী একসময় ঝাড়খণ্ড থেকে এসে ঝাড়গ্রাম এলাকায় সক্রিয় ছিলেন। পরবর্তীতে তাঁরা সারাংদা ও আকাশদের সঙ্গে যুক্ত হন। তাঁদের মধ্যে একজন মাওবাদী নেতা কিষেনজির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মালতীর বাড়ি ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে। ২০১০ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে তাঁরা ঝাড়খণ্ডে চলে গিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের পর থেকে মঙ্গল ও মালতী সংশ্লিষ্ট এলাকা ছেড়ে সরে যান। এরপর আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। মঙ্গলের মাথার দাম ছিল ৫ লক্ষ টাকা। অন্যদিকে, মালতীর মাথার দাম ধার্য করা হয়েছিল ২ লক্ষ টাকা।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ঝাড়খণ্ডের তিনজনকে গ্রেফতারের ঘটনা সামনে এসেছিল। এবার মঙ্গল ও মালতীর গ্রেফতারি এবং আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁদের মাওবাদী কার্যকলাপের অতীত এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে পুলিশ কমিশনারের বক্তব্যে একাধিক তথ্য উঠে এসেছে।




