দিল্লির যন্ত্র মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকে ঘিরে আবার মাথাচাড়া দিয়েছে বিতর্ক। আর এই বিতর্কের মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ফৈজন আনসারী দাবি করেন আন্দোলনের সমর্থনে প্রচারের জন্য দলের প্রতিষ্ঠতা অভিজিৎ দিপকে কয়েকজন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারকে টাকা দিয়েছেন। তার অভিযোগ সিজেপির সমর্থনে ইনস্টাগ্রাম রিল বানানোর জন্য উরফি জাভেদকেও এক লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে।
এই দাবি প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে প্রতিক্রিয়া জানান উরফি। তিনি বলেন ১ লাখ! সত্যিই ১ লাখ! এরপর একটি ভিডিও বার্তায় কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, যে লোকটা এটা দাবি করছে তিনি একজন গন্ড মূর্খ। এর আগেও এই লোকটাই আমার নামে রটিয়েছিল আমি নাকি রূপান্তরকামি।
শুধুমাত্র মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার জন্যই এসব ভুয়া খবর ছড়াচ্ছে আমার নামে। আর ১ লাখ টাকা— ও মাই গড! একটু খোঁজ নিয়ে দেখো এক দিনের জন্য ঠিক কত টাকা চার্জ করি আমি। কোনরকম সত্যতা যাচাই না করে একজন ব্যক্তির কথার ভিত্তিতে খবর প্রকাশ করায় সংবাদ মাধ্যমের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
পরবর্তী একটি স্টোরিতে দাবি করেন তিনি কোনও অর্থ নেননি। উল্টে এই বিতর্কের কারণে বেশ কিছু ব্র্যান্ড তার সঙ্গে কাজ করা বন্ধ করেছে। ফলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। সবশেষে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি লেখেন এই অভিযোগের পক্ষে কেউ প্রমাণ দিতে পারলে তিনি মুছে দেবেন নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট।
অন্যদিকে একটি সংবাদ সংস্থার সাক্ষাৎকারে ফৈজান আনসারি জানান, বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা দীপকের বিরুদ্ধে তিনি দিল্লি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা করেছেন। তার দাবি পুনে এবং ঔরঙ্গাবাদে সিজেপির সমর্থকরা হামলা করেছেন তার উপর। সেই অভিযোগে হয়েছে মামলাও। পাশাপাশি তার অভিযোগ উরফি জাভেদ ও পুনম পাণ্ডেসহ কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তিকে আন্দোলনের প্রচারের জন্য টাকা দেওয়া হয়েছিল।
যদিও সেই অভিযোগের পক্ষে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ সামনে আসেনি। উরফি জাভেদ সমাজ মাধ্যমে অভিযোগ অস্বীকার করলেও পুনম পাণ্ডে এখনো এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেন নি। এমনকি দীপকের পক্ষ থেকেও করা হয়নি কোনও মন্তব্য।