নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। নির্বাচন কমিশনের ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ প্রক্রিয়া ঘিরে অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বিরোধীরা। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে একযোগে আবেদন জানিয়েছেন একাধিক বিরোধী দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।
বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে এই যৌথ আবেদনের শুনানির দিন ধার্য হয়েছে। আবেদনে স্পষ্ট দাবি জানানো হয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক জোশীর যাবতীয় ফাইল, বৈঠকের কার্যবিবরণী , আলোচ্যসূচি এবং কোনো আপত্তি থাকলে তার বিস্তারিত নথি জনসমক্ষে আনতে হবে। বিরোধীদের অভিযোগ, কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা বা স্বচ্ছতা ছাড়াই এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত।
একদিকে যখন ভোটার তালিকা নিয়ে আইনি লড়াই শীর্ষ আদালতের দরজায়, ঠিক তখনই দিল্লিতে প্রতিবাদের ঐতিহ্যবাহী ঠিকানা ‘যন্তর মন্তর’কে ঘিরে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে দিল্লি হাই কোর্টে। সম্প্রতি দিল্লি পুলিশের তরফে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য নির্দিষ্ট জায়গার তালিকা থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রশাসনের এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করে উচ্চ আদালতে আবেদন ঠুকেছেন ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি উদয় ভানু চিব। তাঁর বক্তব্য, যন্তর মন্তর দীর্ঘকাল ধরে দেশের মানুষের ক্ষোভ, দাবি ও প্রতিবাদের স্বতঃস্ফূর্ত কেন্দ্র। পুলিশের এই একতরফা সিদ্ধান্ত গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ জানানোর নাগরিক অধিকারে লাগাম পরানোর সামিল।
রাজধানীর উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহে ঘি ঢেলেছে আরেকটি ঘটনা। যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অভিযোগে সম্প্রতি বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে। তাঁদের পাঁচ দিনের হেফাজতের নির্দেশ আসার পরেই নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন আর এক নেতা। তিনি আগামী ১৬ অক্টোবর বিকেল ৫টায় কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ জমায়েতের ডাক দিয়েছেন।




