নিউজ ডেস্ক: একদিকে তদন্তের জাল ক্রমশ গুটিয়ে আসছিল, অন্যদিকে সামনে আসছিল একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তের অংশ হিসেবে এক অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এক নির্দিষ্ট জায়গায়। কিন্তু সেখানেই ঘটে গেল এমন এক ঘটনা, যার জেরে ফের আলোচনায় বিমান বড়ুয়া হত্যাকাণ্ড।
নাজিরার বিহুবরের রঙাজান বাঙালি বস্তিতে বিমান বড়ুয়া হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে পুলিশের হেফাজতে থাকা রুবুল খান গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করলে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে হয়। তাঁর পায়ে গুলি লেগেছে। সূত্রে খবর, বিমান বড়ুয়া হত্যাকাণ্ডের তদন্তে রুবুল খানকে গ্রেফতার করে নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এই খুনের সঙ্গে তাঁর যোগসূত্র রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টাও চালানো হচ্ছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত তরোয়ালটি দেখানোর জন্য রুবুল খানকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। অভিযোগ বিমান বড়ুয়াকে খুনের সময় ওই তরোয়াল ব্যবহার করেছিলেন বিকি সিং। এই অস্থির বিরুদ্ধে তথ্য জানতে রুবুলকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে পুলিশের দাবি। পুলিশের গুলিতে রুবুলের পায়ে আঘাত লাগে। এরপর তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এর আগেও এই মামলায় এনকাউন্টারের ঘটনা সামনে এসেছে। মাত্র দুদিন আগেই বিমান বড়ুয়া হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ড্রাগস মাফিয়া হিসেবে পরিচিত বিকি সিংকে পুলিশ এনকাউন্টার করেছিল বলে জানা গিয়েছে। ফলে, এই অল্প সময়ের মধ্যে দুই অভিযুক্তকে ঘিরে পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনায় নাজিরায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিমান বড়ুয়া হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনার নেপথ্যে কারা ছিলেন, কিভাবে হত্যাকাণ্ড পরিকল্পনা হয়েছিল এবং ব্যবহৃত অস্ত্র কোথায় রয়েছে, এইসব বিষয়ে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।