হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। তার গাড়িকে কেন্দ্র করে সোনা হয় জুতো-কাদা। এরই প্রতিবাদে বিধানসভা চত্বরে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয় কালীঘাট তৃণমূল। তুই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের দুই বিধায়ক মহম্মদ তৌসিফ রহমান ও আব্দুল খালেক মোল্লা।
এই মিছিলটি ডাক দিয়েছিলেন তৃণমূলের মুখপাত্র তথা বেলেঘাটার বিধায়ক কুনাল ঘোষ। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন তৃণমূলের বহু বর্ষীয়ান নেতা। হালিশহরের ঘটনার প্রতিবাদে স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে বিধানসভা চত্বর।
সম্প্রতি, হালিশহর থানার লকাপে মৃত্যু হয়েছে তৃণমূল কর্মী বিরজু কেয়টের। তার অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রীতিমতো সরগরম গোটা হালিশহর। তোলাবাজি, ভয় দেখানো, আর্থিক প্রতারণা এবং বেআইনি অস্ত্র আইনে একাধিক জামিন-অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ মত পুলিশ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে। শুক্রবার ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হলে বিরজুকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। পরদিন শনিবার থানার লকআপে থাকাকালীন আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এরপরই তার মৃত্যু হয়। তবে অভিযুক্তের স্ত্রী তথা কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জেনি শর্মা কেয়ট পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন তার স্বামীকে পিটিয়ে মারা হয়েছে। আর তারপরেই শুরু হয় রাজনৈতিক টানাপড়েন।
রবিবার মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে গিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তার গাড়িকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় কাদা। চোর চোর স্লোগান ওঠে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভে নামে কালীঘাট তৃণমূল।
প্রতিবাদের মঞ্চে তৃণমূলের একাধিক শিবিরের বিধায়কদের উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চর্চা। হালিশহর-কাণ্ডে দলের অবস্থান যে একেবারে স্পষ্ট তা এই দিনের বিক্ষোভ মিছিলে বোঝা গিয়েছে। ঘটনা তীব্র নিন্দা করেছে তৃণমূল নেতৃত্বরা।