কলকাতা, নিউজ ডেস্ক: এখনও বৃষ্টির মরশুম শেষ হয়নি পুরোপুরি। আজ(১১ই সেপ্টেম্বর,২০২৬) আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস জানাচ্ছে, দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। কলকাতাতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস।উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। অর্থাৎ রাজ্যজুড়ে বৃষ্টিপাতের আবহ থাকছেই।
আজ কলকাতার আকাশ সকাল থেকেই মেঘলা থাকবে, এমনটাই পূর্বাভাস। বেলা বাড়তেই মহানগরীর বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে বলে জানা গেছে। তবে কাল থেকে শুরু উইক-এন্ড।কলকাতায় বৃষ্টির পরিমাণ উইকএন্ডে কিছ কমতে পারে! কলকাতার আকাশে আজ আর্দ্রতা থাকায় অস্বস্তি অনুভব হতে পারে মহানগরবাসীর।
মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আজ দক্ষিণবঙ্গে সব জেলা জুড়েই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস। বৃষ্টির সাথে বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনাও। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া এবং বজ্রবিদ্যুৎয়ের সম্ভাবনা।
এই তিন জেলায় জারি করা হয়েছে কমলা সর্তকতা। দক্ষিণবঙ্গের বাদবাকি জেলাগুলির জন্য থাকছে হলুদ সতর্কতা। বাকি জেলাগুলোতে দমকা হাওয়া থাকবে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার। এ প্রসঙ্গে বলা ভাল, আগামীকাল দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। প্রায় ৭ সেন্টিমিটার থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।
উত্তরবঙ্গ জুড়েও বৃষ্টির পরিস্থিতি বজায় থাকছে। এর মধ্যে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষত জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষত জলপাইগুড়িতে আজ ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার বৃষ্টি হতে পারে।
আর এই কারণেই জলপাইগুড়িতে জারি করা হয়েছে হলুদ সর্তকতা। এছাড়াও উত্তরবঙ্গের আরো তিনটি জেলা জুড়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। ওই তিন জেলা হল উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং দার্জিলিং। এই তিন জেলাতে হতে চলেছে প্রবল ঝড়-বৃষ্টি। জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলোতেও চলবে ঝড় বিদ্যুৎসহ মাঝারি বৃষ্টিপাত।
উপকূল অঞ্চলেও জারি হয়েছে সতর্কতা। তার কারণ আজ বঙ্গোপসাগর অঞ্চল থেকে সৃষ্ট হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত। ফলে ঝড় জল এবং দুর্যোগের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। এরই প্রভাব পড়বে মৎস্যজীবীদের উপর। আর তাই মৎস্যজীবীদের আজ সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। এই ঘূর্ণাবর্তে প্রভাব শুধু বঙ্গোপসাগর বা সমুদ্র পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলি নয়, প্রভাব পড়তে চলেছে বাংলার গা-লাগোয়া প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশা এবং প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের উপরেও।