রহস্যমৃত্যু বীরভূমের রামপুরহাটের প্রাক্তন বিধায়কের!বাম আমলে লাল দুর্গ বীরভূম। সেই পরিস্থিতিও তিনি তৃণমূলের বিধায়ক হন। রামপুরহাটের বাজার সংলগ্ন এলাকায়, নিজের স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়।তবে এসব কিছু ছাপিয়ে তার অধ্যাপক পরিচিতিই ছিল সকলের কাছে অনেক বেশি জনপ্রিয়। সকলের কাছেই স্যার হিসেবে সম্মান পেতেন।
মন্ত্রীত্ব এবং ডেপুটি স্পিকার ছাড়াও 'তারাপীঠ উন্নয়ন পর্ষদ'র চেয়ারম্যান ছিলেন আশীষ ব্যানার্জী। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটলে, মমতা শিবিরকে কে ছেড়ে ঋতব্রত শিবিরে তিনি যোগ দেন। তাঁর মৃত্যুতে, ২১সে জুলাই তাঁর প্রতি হওয়া অপমানের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কালীঘাট তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর মৃত্যুতে শোকবার্তা জানান কালীঘাট তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক ব্যানার্জী।
এব্যাপারে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বীরভূমের একদা 'ডন' অনুব্রত মণ্ডল। তাঁকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন - আশীষ ব্যানার্জী মারা গিয়েছেন। কী বলবেন এ ব্যাপারে? অনুব্রত মন্ডলের উত্তর -' আশীষদা খুব ভালো লোক ছিলেন,এটুকু জানি। এবং খুব ভদ্র লোক ছিলেন। পাঁচবারের এমএলএ বটে। কেন এরকম হল বুঝতে পারছিনা। ওনার তো কোন শত্রু নাই। উনি কোনদিন জোড়েও কথা বলেন নাই।' বোঝাই যাচ্ছে মৃত বিধায়কের পরিবারের পাশে আছেন তিনি।
সাংবাদিকরা অনুব্রত কে ফের প্রশ্ন করেন- উনি যে সুইসাইড নোটটা লিখে গেছেন, কেন লিখলেন? কী মনে হয়?
এর উত্তরে অনুব্রত মন্ডলের সাফ জবাব-'সেটা আপনাদের মত সাংবাদিকরা থাকলে এরকমই হবে।' শুনলাম আপনার সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক ছিল! সাংবাদিকদের এই কৌতূহলের নিরসন করেন কেষ্ট মণ্ডল। বলেন - ‘সবারই সঙ্গে, সবারই সঙ্গে।’ ফের সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, ‘তাহলে কী আপনি এখন ওখানেই যাচ্ছেন?’
এর উত্তরে গাড়িতে উঠতে উঠতে অনুব্রত জানান-' যাচ্ছি তো- ‘দেখা যাক। ভালো লোক ছিলেন। নিঃসন্দেহে ভাল লোক ছিলেন। আর ফ্যামিলিও ভালো। ওনার স্ত্রীও ভদ্র।,’ পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন কিনা জানতে চাওয়ায় অনুব্রত সাংবাদিকদের এই প্রশ্নে ছোট্ট একটি উত্তর দেন। ছোট্ট একটি 'হ্যাঁ' বলে গাড়িতে উঠে পড়েন অনুব্রত মন্ডল।