নিউজ ডেস্ক: বিগ-বস বাংলায় এবার হচ্ছে একটা পলিটিক্যাল টাস্ক এবং এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি দুটি রাজনৈতিক দল, একটা পাখি দল, একটা হরিণ দল। এই পাখি দলের মধ্যে আছে চারজন, পাখি দলে আছে দুর্নিবার, ঝিলম গুপ্ত, অনুষ্কা এবং তনুশ্রী এবং এই পাখি দলের প্রধান নেতা দুর্নিবার। হরিণ দলের চারজন আছে, মনামী, রাজবীর, নন্দিনী এবং হরিণ দলের মেইন নেতা হচ্ছে জীতু কামাল।
খেলাটা হচ্ছে দুটো রাজনৈতিক দল তৈরি হয়েছে, আর তার যারা সমর্থনে আছে চারজন সাধারণ জনতা। এই সাধারণ জনতা হলেন নিরঞ্জন, সৃজলা, সোনামণি আর দীপেন্দু। এই চারজন হচ্ছে সাধারণ জনগণ যারা এই দুটো দলের মধ্যে একটা দলকে ভোট দিয়ে জেতাবে এবং আধিকারিক বা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে আছেন ভরত কল, যিনি এই দুটো দলের কাজই দেখবেন। তারা সমস্ত নিয়ম মেনে কাজটা করছেন কি না। এই রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের স্লোগান বানাতে হবে, ম্যানিফেস্টো বানাতে হবে, কিভাবে চললে বিগ-বসের ভালো হবে, কী কী করলে ঘরটা এগিয়ে যাবে। তার খেয়াল রাখা।
এটা ক্রিয়েটিভিটির একটা টাস্ক। কারণ পোস্টার তৈরি করা, ম্যানিফেস্টো তৈরি করা, গান তৈরি করা । যদি আমরা ক্রিয়েটিভিটি দিক থেকে দেখি তাহলে দুর্নিবারের দলটা ক্রিয়েটিভিটির দিক থেকে অনেকটা বেশি এগিয়ে থাকবে। কারণ দুর্নিবার নিজে একজন গায়ক, ঝিলম গুপ্ত তিনি খুব ভালো লেখেন। উল্টোদিকে জীতুর দলটা তারাও তাদের মতন দারুণভাবে চেষ্টা করছে । কীভাবে এই চারজন সাধারণ জনগণ যে আছে তাদেরকে কীভাবে এই দুটো দল কনভিন্স করতে পারে । কী কী তারা ভাবছে, বিগ বস হাউসে আরো কী কী উন্নতি করলে হাউসটা সুন্দরভাবে এগোতে পারবে, সেটাই এখন দেখার। এই চারজন ভোট দেবে। যে দল জিতবে তারাই টাস্কে জিতে যাবে।
ভরত কলকে সব দিকটা দেখতে হবে । এবং তিনি একপাক্ষিক হতে পারবেন না। আমরা দেখতে পেলাম দুর্নিবারের দল জানিয়েছে আমরা একজনকে রন্ধন-শালায় রেখেছি, বাথরুমে আরেকজনকে এবং ঝিলম গুপ্ত বলছে ভরত কলকে যে আমরা আমাদের এই রাজনৈতিক দল, আমাদের পার্টি জুতো পায়ে চলেচাল করবে না । দুর্নিবারের রাজনৈতিক পার্টি অর্থাৎ পাখি দল কিন্তু এখনও পর্যন্ত ক্রিয়েটিভিটিতে বেশ খানিকটা বেশি এগিয়ে আছে । এবার যে চারজন সাধারণ দর্শক বা সাধারণ জনগণ তাদের মধ্যে নিরঞ্জন চোখ বন্ধ করে দুর্নিবারের দলে যাবে। এবার দিপেন্দুও কোনদিকে যাবে সেটা আন্দাজ করা যাচ্ছে না। আর সোনামণি তো আপাতত দুর্নিবারের দলের দিকেই যাবে বলে মনে হচ্ছে । তো দুজন মনে হচ্ছে দুর্নিবারের দলে কনফার্ম । ওরা দুর্নিবারের দলকেই ভোট দেবে । তো বাকি দুজন অর্থাৎ সৃজলা এবং দিপেন্দু তারা দুজন কোন দলকে ভোট দেয় সেটাই এখন দেখার।
এক্ষুনি কিন্তু এটা ভেবে নেওয়া ভুল হবে যে হরিণ দল হেরে যাবে। কারণ কোন দলটা বেশি কনভিন্স করতে পারছে কী কী অপরচুনিটি দেবে, কী কী সুযোগ সুবিধা দেবে সবকিছুর উপর নির্ভর করছে এই চারজন সাধারণ নাগরিকের ভোট কোন দল বেশি পাবে। ফিজিক্যাল টাস্ক তো প্রচুর হয়েছে, কিন্তু এই খেলাটাতে যে মারামারি হাতাহাতি হবে না এর কোনো মানে নেই । পাখি প্রতীক এবং হরিণ প্রতীক তারা ফ্ল্যাগ সেট করে ফেলেছে। কিন্ত ঝামেলা তো লাগবেই । নীরবে একটা টাস্ক বিগ বসে কমপ্লিট হয়ে যাবে সেটা অসম্ভব। তো এখন দেখার কোন দল এই নির্বাচনে জয়ী হয়- পাখি দল নাকি হরিণ দল।
