JAZZBAAT 24 বাংলা ডেস্ক: গতকাল যুবভারতীতে ডুরান্ড কাপ জয় করেছে ইস্টবেঙ্গল । চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে উড়িয়ে দেয় ৪-১ গোলে। প্রথমার্ধেই ৪ গোল হজম করে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। ম্যাচে হতশ্রী ফুটবল উপহার দেয় প্যানোসের দল।
একটা সময় মনে হয়েছিল ফিরে আসবে ৫ গোলের স্মৃতি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে আর গোল সংখ্যা বাড়েনি। কেন গোল হল না ? কোন স্ট্র্যাটেজি সাজিয়ে ছিলেন লাল-হলুদ কোচ হাবাস। ম্যাচ শেষে মুখ খুললেন তিনি। জানালেন দলকে নির্দেশ দিয়েছিলেন কিছুটা ধরে খেলার।
ম্যাচ শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে ইস্টবেঙ্গল কোচ বলেন, “দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান অনেক বেশি আগ্রাসী হয়ে নেমেছিল। ওরা ব্যবধান কমিয়ে ফেলতে পারত। মনে রাখতে হবে ওরাও যথেষ্ট ভাল দল। একটা ভুল হয়ে গেলে বিপদ বাড়তে পারত। তাই ধরে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। ওদের সমীহ করি। সেটা মাথায় রেখেছিলাম। ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকে ফুটবলারেরা যে বিশ্বাস, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছে তাতে আমি গর্বিত। আমাদের কাছে এই ম্যাচটা একটা স্বপ্নের ম্যাচ গেল। অন্যান্য ম্যাচে আমরা হয়তো চার-পাঁচটা সুযোগ থেকে দুটো গোল করতাম। আজ প্রায় সব ক’টা সুযোগেই গোল করেছি। খেলোয়াড়েরা নিজেদের প্রতি বিশ্বাস রেখেছে। সব ফুটবলারকে শুভেচ্ছা।“
লাল-হলুদের শেষ দুটো ম্যাচে দেখা গিয়েছে গোলের সুযোগ এলেও, তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছেন রশিদ, জয় গুপ্তা, ডেভিডরা। তবে ফাইনালে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে শুর থেকে দেখা গিয়েছে সুযোগ কাজে লাগিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। তবে এই জয় যে অন্য ম্যাচ জয়ের থেকে আলাদা, তা স্বীকার করে নিলেন আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।
জানালেন, এই জয়ের স্বাদ আলাদা। এই নিয়ে তিনি বলেন, “ অন্য ডার্বিগুলো ফাইনাল ছিল না। এটা ফাইনাল ম্যাচ ছিল। সেই ফাইনাল জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এটাই সেরা ডার্বি জয় আমার কাছে। দলগতভাবে ভালো খেলেছে টিম। পাশাপাশি ব্যক্তিগত নৈপুণ্যেও অনেকে ভালো পারফর্ম করেছে। “
৪-১ ফলাফলের মধ্যে তিন গোল এডমুন্ডের। ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নায়ক তিনি। তাইতো ম্যাচে শেষে ডার্বির নায়ক এডমুন্ডের প্রশংসায় মাতলেন লাল-হলুদ কোচ। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “ ইন্টার কাশীর সময় থেকেই এডমুন্ডকে চিনি। ও ওই দলের ফুটবলার ছিল। ও ভারতের অন্যতম সেরা ফুটবলার। এডমুন্ড সাধারণত স্ট্রাইকারে খেলে না। আজ খেলতে হয়েছে। দারুণ খেলেছে।