পুজোর আগেই কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এল বড় উপহার। আগামী ৩ অক্টোবর যখন গোটা শহর ব্যস্ত থাকবে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতিতে, সেই দিন সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হতে চলেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এই প্রথম সিনিয়র পর্যায়ের ফুটবলে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে সেলেকাওরা। ফলে ম্যাচটি ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে।
অতীতে ভারত নেহরু কাপে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে খেললেও ব্রাজিলের বিরুদ্ধে কখনও মাঠে নামেনি। এছাড়া ২০১১ সালে আর্জেন্টিনা ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধেও খেলেছিল যুবভারতীতে। সব মিলিয়ে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে এই ম্যাচ যে নতুন অধ্যায় লিখতে চলেছে তা বলাই বাহুল্য। দেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এটি দীর্ঘদিনের এক স্বপ্নপূরণের মুহূর্ত বলেই মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে এই ম্যাচের ঘোষণাও এসেছে এক ঐতিহাসিক দিনে। মোহনবাগান দিবসের অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে ম্যাচের দিনক্ষণ ঘোষণা করেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ এবং সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে। এর আগে বিশ্বকাপ চলাকালীনই ব্রাজিল দলের ভারত সফর নিয়ে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছিল। অবশেষে এবার তা আনুষ্ঠানিক রূপ পেল।
শুধু তাই নয়। সূত্রের খবর, রিজার্ভ দল নয়, ব্রাজিলের প্রথম সারির সিনিয়র দলই ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে আসছে। অর্থাৎ ভিনিসিয়াস জুনিয়রদেরই যুবভারতীতে নামার কথা। ফলে পুজোর আবহে এই ম্যাচ শুধু কলকাতা নয়, গোটা দেশের ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় সন্ধ্যা হয়ে উঠতে চলেছে। যদিও এর মধ্যেই কারও কারও মনে পড়ে যাচ্ছে গত ডিসেম্বরের মেসি-কাণ্ড। সেই কালো অধ্যায়কে পিছনে ফেলে নতুন ইতিহাস লেখাই এখন প্রধান লক্ষ্য যুবভারতী তথা গোটা ভারতীয় ফুটবলের।