ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৭। প্রবল ভূমিকম্পের পর এই প্রদেশটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কম্পনের তীব্রতায় ভেঙে পড়েছে বাড়িঘর। সেখান থেকে ৫ হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ।
ইন্দোনেশিয়া বরাবরই ভূমিকম্পপ্রবণ। ২০২২ সালে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভায় হওয়া ভূমিকম্পের পর এই ভূমিকম্পটিই এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভয়াবহ বলে মনে করা হচ্ছে। ফ্লোরেস দ্বীপের বিস্তীর্ণ অংশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। কম্পন বুঝতে পেরে এলাকার বাসিন্দা ও পর্যটকেরা রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। অনেকেই সমুদ্রতীরবর্তী এলাকা থেকে দূরে সরে যান। ঘরবাড়ি ভেঙে পড়তে দেখে মানুষ আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কম্পন বেশ কিছু ক্ষণ স্থায়ী হয়েছিল।
ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রিপরিষদ সচিব টেডি ইন্দ্রা বিজয়া জানিয়েছেন, ভূমিকম্প কবলিত এলাকায় ৩০০০-এর বেশি সামরিক বাহিনীর সদস্য এবং পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দেশটির উদ্ধারকারী সংস্থার তরফে জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে মাউমেরের কয়েকটি অংশে রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে আছে। জোরকদমমে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে উদ্ধারকারীরা।
এখনও পর্যন্ত কতজন নিখোঁজ রয়েছে তার সঠিক হিসাব পাওয়া যায়নি। তবে তাদের বেশিরভাগই ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছে। প্রায় ১৩০০-রও বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পূর্ব নুসা তেঙ্গারার প্রাদেশিক সরকার সেখানে জরুরি অবস্থা জারির কথা বিবেচনা করছে। ইন্দোনেশিয়া দেশটি প্রায় ১৭ হাজার দ্বীপ নিয়ে গঠিত। তিনটি বড় ভূতাত্ত্বিক প্লেটের মিলনস্থল হওয়ায় এখানে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের মতো ঘটনা ঘটে।




