বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার নাবালিকার দেহ। তার পাশের ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় পিশেমশাইয়ের দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম সন্তু সর্দার (৫৪) এবং মৃত নাবালিকার নাম সুমনা সর্দার (১১)। পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়া। সুমনা পড়াশোনার সূত্রে প্রায়শই পিসির বাড়িতে থাকত। কৃষ্ণগঞ্জের একটি স্কুলে পড়ত। গত সোমবারও পিসির বাড়িতে ছিল মেয়েটি। এদিন দুটি ঘর থেকে দুই জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। নাবালিকার গলায় দাগ পাওয়া গিয়েছে। ওই নাবালিকাকে খুন করে পিশেমশাই আত্মঘাতী হয়েছেন কি না,সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
খবর পেয়ে কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করে কৃষ্ণগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে পাঠায়।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। একই পরিবারের দুই সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।