নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্যকর প্রাতরাশের তালিকায় এখন বেশ জনপ্রিয় ওটস ও বেসনের চিলা। দ্রুত তৈরি করা যায়, আবার নিজের পছন্দমতো সব্জি বা অন্যান্য উপকরণ মিশিয়েও নেওয়া যায়। কিন্তু শরীরে প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে এই দু’টির মধ্যে কোনটি বেশি উপকারী? পুষ্টিবিদদের মতে, প্রোটিনের পরিমাণের বিচারে সাধারণত ওটসের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে বেসন।
কতটা প্রোটিন পাওয়া যায় এক একটি চিলায়?
পুষ্টিবিদের মতে, ৩০-৪০ গ্রাম ওটস দিয়ে তৈরি একটি চিলায় আনুমানিক ৩-৫ গ্রাম প্রোটিন থাকতে পারে। অন্যদিকে, ৩০-৫০ গ্রাম বেসন দিয়ে তৈরি চিলায় প্রায় ৬-৮ গ্রাম প্রোটিন মিলতে পারে। তবে বেসনের আর একটি উল্লেখযোগ্য দিক হল, এতে প্রোটিনের পাশাপাশি ফাইবারও রয়েছে। ফলে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখতে বেসনের চিলা ভাল বিকল্প হতে পারে।
সব্জি, পনির মেশালে বাড়বে পুষ্টিগুণ
চিলার পুষ্টিগুণ বাড়াতে পেঁয়াজ, টমেটো, পালং শাক ও ক্যাপসিকামের মতো সব্জি মেশানো যেতে পারে। এগুলি খাবারে ফাইবার, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান যোগ করে। তবে প্রোটিনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়াতে চাইলে দই, পনির অথবা টোফু ব্যবহার করা যেতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, পনির দিয়ে তৈরি চিলা সাধারণ চিলার তুলনায় বেশি প্রোটিনসমৃদ্ধ হতে পারে। সেক্ষেত্রে ওটস দিয়ে তৈরি চিলাতেও পনির যোগ করলে তার প্রোটিনের পরিমাণ সাধারণ বেসনের চিলার চেয়ে বেশি হতে পারে।
পেট ভরা রাখতে কোনটি ভাল?
প্রোটিনের পাশাপাশি ফাইবার, খাবারের মোট ক্যালোরি, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং খাবারের পরিমাণ—সব কিছুই পেট ভরা থাকার সময়কে প্রভাবিত করে। ওটসে রয়েছে বিটা-গ্লুকান নামে এক ধরনের দ্রবণীয় ফাইবার। অন্যদিকে, বেসন থেকে পাওয়া যায় প্রোটিন ও ফাইবার দু’টিই। তাই শুধু ওটস বা বেসনের মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। দুই উপকরণ সমান পরিমাণে মিশিয়ে চিলা তৈরি করা যেতে পারে। সঙ্গে সব্জি এবং দই রাখলে প্রাতরাশে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হবে। সব মিলিয়ে, বেশি প্রোটিন পেতে চাইলে সাধারণত বেসনের চিলা এগিয়ে।




