কিশোরীকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ। হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের সাতনায় ৷ ইতিমধ্যেই কয়েকজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ভোর ৫ টা নাগাদ শৌচকর্ম করতে বাড়ি থেকে বেরোয় ওই কিশোরী ৷ তারপর আর ফেরেনি ৷ অনেক সময় কেটে যাওয়ার পর সন্দেহ শুরু হয় পরিবারের লোকের। তারপর খুঁজতে বেরিয়ে দেখেন, রাস্তার ঝোপের পাশে পড়ে রয়েছে কিশোরীর অর্ধনগ্ন দেহ ৷ নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে দাবি করে গ্রামজুড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা ৷ অবরোধ করা হয় কোটার-সেমারিয়া সড়ক ৷
খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও ডগ স্কোয়াড-সহ তদন্তকারী আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। কয়েক ঘণ্টা পর নাবালিকার দেহ ময়না তদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। কোটার এএসপি (গ্রামীণ) প্রেমলাল কুরভে বলেন, 'মেয়েটিকে প্রথমে ধর্ষণ করা হয় এবং ধরা পড়ার ভয়ে অভিযুক্ত তার গলা কেটে খুন করে।
সম্প্রতি, বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল এলাকায়। সেই মামলায় ৪জনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রভাস মণ্ডলকে এই মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।
অভিযুক্ত প্রভাসকে ঘটনার পুনর্নিমার্ণের জন্য গভীর রাতে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ সেই সময় সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে বলে দাবি। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পালটা গুলি চালায়। মৃত্যু হয় প্রভাসের।