কলকাতা, নিউজ ডেস্ক:ফায়ার অডিটের নামে তৃণমূল কর্মীদের হয়রানির অভিযোগ! মঙ্গলবার
ক্যামাক স্ট্রিট-কাণ্ডে থানায় হাজিরা দিয়ে বেরিয়ে এমনটাই দাবি করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
শেক্সপিয়র সরণি থানায় প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা ধরে অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেখান থেকে বেরিয়ে দাবি করেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আগে থেকে একই ধরনের তৎপরতা দেখালে মির্জা গালিব স্ট্রিট এবং তারাপীঠের হোটেলে আগুনে মৃত্যুর ঘটনা ঘটত না।
অভিষেকের অভিযোগ, '৪ মে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর এক মাসের মধ্যেই আলিপুর অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় থেকে নবম তলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই সময় কেন দ্রুত ফায়ার অডিটের প্রয়োজনীয়তা দেখা গেল না? তৃণমূলের ক্ষেত্রেই যেন এই তৎপরতা দেখা যাচ্ছে।’
ঘটনার সূত্রপাত ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে বিলবোর্ড খোলা নিয়ে। পুরকর্মী এবং পুলিশ আধিকারিকরা অভিষেকের পার্টি অফিসের এসে ভিতর প্রবেশ করতে চান। কিন্তু বাধা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ,অবৈধভাবে ওই বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে। তবে তা মানতে চাননি ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।
এরপরেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া,পুলিশকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং ধাক্কাধাক্কির মতো একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় তলব করা হয়েছিল ডেরেক ও
অভিষেককে। কিন্ত, ডেরেক হাজিরা না দিলেও মঙ্গলবার শেক্সপিয়ার সরণি থানায় যান অভিষেক। পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে কার্যত বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল সাংসদ।