কলকাতা, নিউজ ডেস্ক: কলকাতা ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ বুধবার রাতে একদল ব্যক্তি অফিসে ঢুকে তান্ডব চালায়। এ বিষয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ভোরে এই ঘটনার সিসি টিভি ফুটেজের বেশ কিছু অংশ নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেন অভিষেক। তার দাবি, অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত বিজেপির গুন্ডারা দলীয় কার্যালয় জোর করে ঢুকে হামলা চালায়। সেই সময় অফিসে থাকা কর্মীদের মারধর করে তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। তারপর অফিসের উপর তলায় গিয়ে আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন সামগ্রী ভাঙচুর করা হয়।
এই ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার প্রসঙ্গও টানেন তিনি। তিনি আরো অভিযোগ করেন, বারবার ফোন বা ইমেইল করা হলেও প্রায় দু'ঘণ্টা পেরিয়ে যায়, পুলিশের কোনো পাত্তা পাওয়া যায়নি। বর্তমানে গোটা অফিস চত্বর পুলিশ ঘিরে রেখেছে। জারি করা হয়েছে ভেতরে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা।
খবর পেয়ে সেখানে পৌছান তৃণমূলের আইটি সেল এর সভানেত্রী উপাসনা চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘যেটা চলছে গোটাটাই গুন্ডামি। যেখান থেকে বিরোধী কণ্ঠস্বর উঠে আসবে, সেই জায়গাগুলোকে টার্গেট করা হচ্ছে। নোংরা চক্রান্ত চলছে।’
অপরদিকে এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেনি বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার। তিনি বলেন, ‘যখন তৃণমূল ক্ষমতায় ছিল, জেলায় জেলায় বিজেপির অফিস, কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর এবং আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মতন ঘটনাও ঘটেছে। তবে এই ঘটনায় ছয় জনকে আটক করা হয়েছে। কিন্তু ওদের সময়ে প্রশাসনের কোন তৎপরতা ছিল না। এখন প্রশাসন অনেক তৎপর। তবে যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে অপরাধীদের ছাড়া হবে না।’