এবার ড্রাগ কন্ট্রোল অফিসারের পরিচয় দিয়ে প্রতারণা। অভিযুক্তদেরকে আটকে রেখে তুলে দেওয়া হল পুলিশের হাতে। অল্পের জন্য প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পেলেন ব্যবসায়ী। ঘটনায় চাঞ্চল্য বাঁকুড়ায়।
প্রথমে ড্রাগ কন্ট্রোল অফিসারের পরিচয় দিয়ে ব্যাবসায়ীর লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেওয়া হয়। এরপর দাবী করা হয় মোটা টাকার বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, ড্রাগ কন্ট্রোল দপ্তরের আধিকারিক পরিচয় দিয়ে জঙ্গলমহলের বিভিন্ন ওষুধের দোকানে ঘুরে বেড়াচ্ছিল তারা। লাইসেন্স পরীক্ষার নামে ব্যবসায়ীদের ভয় দেখিয়ে টাকা হটানোর উদ্দেশ্য ছিল তাদের।
রবিবার খাতড়ার খড়বন মোড়ের একটি ওষুধের দোকানে গিয়ে প্রথমে ওষুধ কেনার কথা বলে দোকানে প্রবেশ করে দুই অভিযুক্ত। এরপর ড্রাগ লাইসেন্স ও ট্রেড লাইসেন্স দেখতে চান তারা। দোকান মালিকের মনে খটকা তৈরি হলে তিনি ওই আধিকারিকদের পরিচয়পত্র দেখতে চান। এরপরেই পরিস্থিতি বদলে যেতে থাকে। পরিচয়পত্র দেখানোর বদলে লাইসেন্স বাতিলের ভয় দেখিয়ে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ। প্রথমে ওই ব্যবসায়ী কিন্তু তা ভয় পেয়ে এক হাজার টাকা দিয়েও দেন ওই ভুয়ো আধিকারিকদের। পরে ওষুধ ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে কথা বলে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন ওই ব্যবসায়ী। এরপর স্থানীয়দের সহযোগিতায় কৌশল করে ভুয়ো ওই আধিকারিকদের আটকে রাখেন ওই ব্যবসায়ী।
ব্যবসায়ী দুঃখ ভঞ্জন বাউরী বলেন, প্রথমে তার কাছ থেকে সমস্ত কাগজপত্র দেখতে যাওয়া হয়। সেইমতো তিনি কাগজপত্র দেখান। কিন্তু যারা এসেছিলেন তাদের কথোপকথনে তার সন্দেহ হয়। আই কার্ড দেখাতে বলেন তিনি কিন্তু সঠিক আই কার্ড দেখাতে পারেন না ভুয়ো আধিকারিকরা। আর তাই সন্দেহ হয় তাদের। এর পরেই পুলিশে খবর দেন তারা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় খাতড়া থানার পুলিশ। দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের খাতড়া মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। এই প্রতারণা চক্রে আরও কেউ জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে পুলিশের পক্ষ থেকে। গোটা ঘটনায় সরগরম এলাকা।




