নয়াদিল্লি, নিউজ ডেস্ক: আগের সরকার তাঁদের নিয়ে একটা খেলা খেলেছিল। তাদের ভবিষ্যৎ বিশ বাঁও জলে ঠেলে দিয়েছিল তৃণমূল। ওই আমলেই প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি র কারণে, বাতিল হয় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি! সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, ৩১শে অগাস্টের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। ততদিন যোগ্য শিক্ষকরা সবেতন চাকরি করবেন। এরই মধ্যে বিগত সরকার ২০২৫ সালে ফের SLST-র পরীক্ষা নেয়।
তবে, এখনও পর্যন্ত কাটেনি ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলকাণ্ডের জট। জানা যায়, সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া সময়সীমার মধ্যে শেষ হচ্ছে না নিয়োগ প্রক্রিয়া! অন্যদিকে, 'জাতিগত সংরক্ষণ নীতি' কার্যকর করার ক্ষেত্রে আইনজীবীদের পরামর্শ নেওয়া হতে থাকে। একারনেই 'সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও সময় চাওয়া হবে'। এমনটাই জানিয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন।
আজ ফের যোগ্য শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর আর্জি ওঠে সুপ্রিম কোর্টে। সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানায় রাজ্য সরকার ও যোগ্য শিক্ষক দু'পক্ষই। আর্জি শুনতে রাজি হয় সর্বোচ্চ আদালত। এর আগেই ৩১শে অগাস্ট পর্যন্ত কাজ করতে পারবেন ১৭ হাজার যোগ্য শিক্ষক,নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। ৩১শে অগাস্টের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করারও নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।
তবে, ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার নির্দেশ দিয়েও তা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।তৃণমূল সরকারের আমলে ওবিসি'দের জন্য ১৭% সংরক্ষণ চালু ছিল। বিজেপি সরকারের আমলে তা হয়েছে ৭%। নতুন সংরক্ষণ বিধিতে কীভাবে নিয়োগ হবে? তৃণমূল জমানায় সংরক্ষণ বিধি মেনে যাঁরা সুপারিশপত্র পেয়েছেন, তাঁদেরই বা কী হবে? এই নিয়েই আইনজ্ঞদের সাথে পরামর্শ দিচ্ছে এসএসসি(SSC)।
একারণেই এখনও পর্যন্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে হয়েছেন রাজ্য ও যোগ্য শিক্ষকরা। মঙ্গলবার যোগ্য শিক্ষকদের তরফে দ্রুত শুনানি অনুরোধ করা হয়ে, ৩১শে আগস্ট থেকে মেয়াদ বাড়ানো জন্যে। রাজ্য সরকারও বলে তাদের অ্যাপ্লিকেশন ফাইল করেছেন, শিক্ষকদের মেয়াদ বাড়ানো হোক, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত। সুপ্রিম কোর্ট শুনতে রাজি হয়েছে, ৩১শে অগাস্ট এর আগে হবে শুনানি এমনটাই জানান হয়। শিক্ষকদের মেয়াদ বাড়বে? প্রশ্নটা থেকেই গেল।