নবম শ্রেণির ছাত্রীর দেহ উদ্ধার! চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নদিয়ার শান্তিপুরে। শান্তিপুর থানার গোপালপুরে ঘটনাটি ঘটেছে। আজ অর্থাৎ,শুক্রবার সকালে নিজের ঘরে ওই ছাত্রীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় তার পরিবার। তখনই ওই অবস্থাতেই কিশোরীটিকে উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর ওই নাবালিকাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওই নাবালিকার বাড়ি গোপালপুর অঞ্চলের মুসলিম পাড়া এলাকায়। মৃত ছাত্রীটির নাম রূপসানা খাতুন।মৃত কিশোরীর বয়েস মাত্র চোদ্দ। সে নবম শ্রেণির পড়ুয়া ছিল। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ বছর আগে তার বাবার মৃত্যু ঘটে।এরপর তার মা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। তার পর সে এক আত্মীয়ের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করছিল।
পরিবারের সদস্যদের কথায়, বৃহস্পতিবার স্কুলে পরীক্ষা দিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বাড়িতে ফিরেছিল রূপসানা। শুক্রবার সকালে তার উঠতে দেরি হওয়ায় পরিবারের লোকেরা অনেক ডাকাডাকির পরেও সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভাঙতে বাধ্য হয়। দরজা ভাঙতেই দেখা যায় ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে রূপসানার দেহ। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে শান্তিপুর থানার পুলিশ। সেখান থেকে দেহ উদ্ধার করেন পুলিশকর্মীরা।
এরপর শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে রূপসানাকে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানার জন্য মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয় রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালের পুলিশ মর্গে। রূপসানার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। কি কারণে আত্মহত্যা, এর পেছনে কোন রহস্য আছে? খতিয়ে জানতে তদন্ত শুরু করেছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।