হাবিবুর রহমান, ঢাকা : বৈশ্বিক মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিষেক। আর তা ঘিরে শুধু বাংলাদেশই নয়, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বসিত। বিশ্বমঞ্চে এক নতুন ঐতিহাসিক যাত্রার মুখোমুখি বাংলাদেশ। জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরের বাইরে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের পুষ্পস্তবক ও উষ্ণ অভ্যর্থনায় বরণ করে নেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মী ও প্রবাসী বাংলাদেশীরা। তবে একইস্থানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামি লিগের নেতাকর্মীরাও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
এদিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, শামা ওবায়েদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিনসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং রাষ্ট্রসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
পাঁচ দিনের সফরে সফরসঙ্গীদের নিয়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরসঙ্গীদের নিয়ে স্থানীয় সময় সোমবার বিকেলে নিউইয়র্কে এসে পৌঁছান তিনি। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্র সংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ওই ভাষণের মধ্য দিয়ে পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ধারাবাহিকতায় এক বিরল একপারিবারিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব সম্প্রদায়।
একই পরিবারের তৃতীয় উত্তরসূরি হিসেবে আন্তর্জাতিক এ বিশ্বমঞ্চে বক্তব্য রাখার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে রাষ্ট্রসংঘে বাংলাদেশের এক নতুন অধ্যায়। এদিকে দীর্ঘ দুই দশক পর তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর আগমনের মুহূর্তটা এইস্মরণীয় করে রাখতে স্বাগত জানান রাষ্ট্রসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন জুবাইদা খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।
তারেক ও তাঁর সফরসঙ্গীদের ফুল ও করতালি দিয়ে স্বাগত জানান নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজার নেতৃত্বে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরের বাইরে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের পুষ্পস্তবক ও উষ্ণ অভ্যর্থনায় বরণ করে নেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও প্রবাসী বাংলাদেশীরা। এককস্থানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামি লিগের নেতাকর্মীরাও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।




