নিউজ ডেস্ক: অন্ধকারের বুক চিরে আলোর বিজয়ের বার্তা নিয়ে দেশজুড়ে সাড়ম্বরে উদযাপিত হচ্ছে দীপাবলি। আলোকোজ্জ্বল এই পুণ্যলগ্নে দেশবাসীর সুখ, সমৃদ্ধি ও সুস্থতা কামনা করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি উৎসবের আবহে উন্নয়ন ও আত্মপ্রত্যয়ের নতুন বার্তা তুলে ধরেছেন। মন্দির চত্বর থেকে রাজপথ উৎসবে মাতোয়ারা গোটা ভারত।
বৃহস্পতিবার সকালে সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’-এ এক আবেগঘন বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীকে দীপাবলির আন্তরিক প্রীতি জানান। তিনি লেখেন, “আলোর এই পবিত্র মহোৎসবে আমি প্রতিটি নাগরিকের সুস্বাস্থ্য, আনন্দময় ও সমৃদ্ধ জীবন কামনা করি। দেবী লক্ষ্মী ও সিদ্ধিদাতা শ্রীগণেশের অশেষ কৃপায় সকলের জীবনে সমৃদ্ধি ভরে উঠুক।”
প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি দেশ তথা রাজ্যের নাগরিকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। উৎসবের তাৎপর্য স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই দীপাবলি যেন প্রতিটি মানুষের জীবনে নতুন উদ্যম, প্রেরণা এবং ইতিবাচকতার জোয়ার নিয়ে আসে। প্রার্থনা জানান সকলের সার্বিক মঙ্গল ও সৌভাগ্যের জন্য।
অন্যদিকে, ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝিও রাজ্যবাসীকে দীপাবলির অভিনন্দন জানিয়েছেন। উৎসবের আলোয় আলোকিত হওয়ার এই মুহূর্তে তিনি ওড়িশাকে এক আত্মনির্ভর ও উন্নত রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলার নিজের সংকল্পকে পুনর্ব্যক্ত করেন। তাঁর কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, ঐতিহ্যের উদযাপনের সঙ্গেই রাজ্যের সার্বিক বিকাশ ও রূপান্তরের পথে এগিয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে শুভ চেতনার জাগরণ এই চিরন্তন বার্তা নিয়েই ভারতের প্রতিটি কোণায় এখন উৎসবের আমেজ। প্রদীপের আলোয় সেজে উঠেছে প্রতিটি জনপদ। উৎসবের এই আবহে বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে গুজরাটের রাজধানী গান্ধীনগরের স্বামীনারায়ণ অক্ষরধাম মন্দির। দীপাবলির আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে সেখানে প্রজ্জ্বলিত করা হচ্ছে দশ হাজার প্রদীপ। প্রদীপের স্নিগ্ধ আলোয় ঝলমল করে উঠছে গোটা চত্বর। জানা গিয়েছে, এই উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে সেখানে স্থাপন করা হচ্ছে ভগবান স্বামীনারায়ণের একটি সুবিশাল ৫৫ ফুট উঁচু মূর্তি। আগামী ১১ নভেম্বর বিশেষ পুজো ও আড়ম্বরের মধ্য দিয়ে এই বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠা পর্ব সম্পন্ন হবে।




