নিউজ ডেস্ক: বেজে গিয়েছে ভোটের বাদ্যি। পুজোর আগেই নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে হবে ভোট। এমন পরিস্থিতিতে দুই বিধানসভা কেন্দ্রেই পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। দুই কেন্দ্রেই পুলিশ ও সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে পুলিশ অবজারভার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে ২০১৩ ব্যাচের রাজস্থান ক্যাডারের আইপিএস অফিসার হরি লাল চৌহানকে। পাশাপাশি রেজিনগরের সাধারণ পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ২০১৫ ব্যাচের মধ্যপ্রদেশ ক্যাডারের আইএএস অফিসার হর্ষ পঞ্চলি।
অন্যদিকে, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে পুলিশ অবজারভার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০০৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার এম বি বোরালিঙ্গাইয়াকে। নন্দীগ্রামের সাধারণ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে ২০১৫ ব্যাচের ত্রিপুরা ক্যাডারের আইএএস অফিসার সন্তোষ দাসকে। উপনির্বাচনের আগে প্রশাসনিক প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং ভোটপ্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতেই এই পর্যবেক্ষকদের নিয়োগ বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর।
আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হবে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে। ৯ অক্টোবর ফল ঘোষণা। সোমবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তামিলনাড়ুর দুই বিধানসভা কেন্দ্র ও পুদুচেরির এক কেন্দ্রে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে ভোট হবে অসমের নগাঁও লোকসভা কেন্দ্রেও।
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে দুই কেন্দ্রে জয়ী হওয়ার পর নন্দীগ্রাম ছেড়ে দেন। ফলে ওই কেন্দ্র বিধায়কশূন্য হয়ে পড়ে। তাই উপনির্বাচনের মাধ্যমে নতুন জনপ্রতিনিধি বেছে নেবেন নন্দীগ্রামবাসী। তবে ওই কেন্দ্রে কাকে প্রার্থী করা হবে, তা নিয়ে রয়েছে জল্পনা।
পাশাপাশি, নওদা ও রেজিনগর থেকে জয়ী হয়েছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর। তিনি রেজিনগর আসনটিট ছেড়ে দেন। সেখানে নিজের ছেলেকে প্রার্থী করবেন বলে ঠিকও করে ফেলেন হুমায়ুন। সেইমতো আগামী ৬ অক্টোবর এই কেন্দ্রেও উপনির্বাচন হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর। পরদিন অর্থাৎ ১৭ তারিখ স্ক্রুটিনি বা মনোনয়ন পরীক্ষার কাজ চলবে। প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন ধার্য হয়েছে ১৯ সেপ্টেম্বর।




