দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নিউজ ডেস্ক: বারুইপুরে বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিক খুনের তদন্তে বড় পদক্ষেপ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য সুজন মণ্ডল। গ্রেফতার করা হয়েছে এক মহিলাকেও। গতকাল রাতে বারুইপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁদের পাকড়াও করা হয় বলে খবর।
পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পনা করেই বাপি প্রামাণিককে খুন করা হয়েছে। একই অভিযোগে সরব বিজেপির একাংশও। তাঁদের দাবি, দলেরই পঞ্চায়েত সদস্য সুজন মণ্ডল এই ঘটনায় তৃণমূলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ষড়যন্ত্র করেছিলেন। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও পুলিশের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
জানা গিয়েছে, নিহত বাপি প্রামাণিক বরাবরই সক্রিয় বিজেপি কর্মী। রবিবার রাতে একটি বৈঠক করেছিলেন এলাকার বিজেপি কর্মীরা। অভিযোগ, ওই বৈঠক থেকে ফেরার সময়ই বিজেপি কর্মীদের উপর অতর্কিতে হামলা চালানো হয়। সেই সময় বাপি প্রামাণিক ঘটনাস্থলে ছিলেন না। পরে একটি ফোন পেয়ে বিষয়টি জানতে পেরেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। পরিবারের অভিযোগ, রাস্তায় বেরোনোর পরই বাপির উপর হামলা চালানো হয়। প্রথমে তাঁকে মারধর করা হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করারও অভিযোগ উঠেছে। স্ত্রীর সামনেই রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন বাপি। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।