নয়াদিল্লি, নিউজ ডেস্ক: নতুন সপ্তাহের শুরুতেই জোড়া সক্রিয়তায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়াল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। একদিকে যখন কলকাতার পার্ক সার্কাসে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ নাদিমুল হকের একটি সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা তল্লাশি চালাচ্ছেন, ঠিক তখনই দিল্লির রাজনৈতিক বৃত্তে পৌঁছল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। তৃণমূলের সংসদীয় প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত সাউথ অ্যাভিনিউয়ের বাংলোয় সরাসরি হাজির হয়েছেন ইডি আধিকারিকরা।
নয়াদিল্লির ৬১ সাউথ অ্যাভিনিউয়ের ওই বাংলোটি সাংসদ কোটায় নাদিমুল হকের নামে সরকারিভাবে বরাদ্দ থাকলেও, দীর্ঘকাল ধরেই তা তৃণমূল কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় পার্টি অফিস হিসেবে পরিচালিত হয়। বাংলোর বাইরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সম্বলিত দলীয় প্রতীকী বোর্ডও রয়েছে।
সোমবার ভোর থেকেই এলাকায় নজরদারি শুরু হয়। সকাল সাতটা নাগাদ তদন্তকারী আধিকারিকরা বাংলোর সামনে পৌঁছন। তবে অফিসের কর্মীরা তখনও কাজে যোগ না দেওয়ায় মূল ফটকে তালা ঝুলছিল। ফলে ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে বাইরেই অপেক্ষায় থাকতে হয় তদন্তকারীদের। পরবর্তীতে তালা খোলার উদ্দেশ্যে দলের কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
দিল্লির এই ঘটনা রাজনৈতিকভাবে বাড়তি তাৎপর্য পেয়েছে নির্ধারিত দলীয় কর্মসূচির কারণে। এদিন দুপুর সাড়ে বারোটায় ওই কার্যালয় থেকেই দলের পক্ষ থেকে সাকেত গোখলের একটি সাংবাদিক বৈঠক করার কথা ছিল। গুরুত্বপূর্ণ সেই প্রেস কনফারেন্সের ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগেই কেন্দ্রীয় সংস্থার এহেন পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। একই সঙ্গে পার্ক সার্কাসের সংবাদপত্র দপ্তরেও দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি প্রক্রিয়া জারি রেখেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।