পাকিস্তান, নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে এক শতাব্দীরও বেশি প্রাচীন একটি ঐতিহাসিক হিন্দু মন্দির ধ্বংসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। লাহোর থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে নারোওয়াল জেলার সিরাজ গ্রামে অবস্থিত প্রায় ১,০০০ বর্গমিটার আয়তনের এই প্রাচীন দেবালয়টি ভেঙে দেওয়ার ঘটনা সংখ্যালঘু অধিকার ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
সূত্র: https://x.com/OrissaPOSTLive/status/2094691558209831245
সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও বিভিন্ন সংগঠনের অভিযোগ, পার্শ্ববর্তী একটি মাদ্রাসার সীমানা সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যেই ২১ আগস্ট পরিকল্পিতভাবে এই প্রাচীন মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হয়। নারোওয়াল জেলা শান্তি কমিটি ও স্থানীয় সংখ্যালঘু নেতাদের দাবি, মন্দির প্রাঙ্গণে মাদ্রাসার আধিপত্যের কারণে এখন সেখানে পৌঁছাতেও ভয় পাচ্ছেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।
এদিকে পাকিস্তান প্রশাসনের দাবি, টানা ভারী বৃষ্টির জেরেই কাঠামোটি ধসে পড়েছে। এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের পর নিরপেক্ষ তদন্ত ও মন্দিরটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়ে সরব হয়েছেন পাকিস্তান মসিহা মিল্লাত পার্টির সভাপতি আসলাম পারভেজ সাহোত্রা সহ সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলনের কর্মীরা।