নয়াদিল্লি, নিউজ ডেস্ক: এর আগেই রাশিয়ায় কূটনৈতিক সফর করে এসেছেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এন জয়শংকর। অজিত দোভাল গিয়েছিলেন চিন। এবার কূটনৈতিক সফরে রাশিয়া গেলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। সোমবার তিনি রাশিয়া গিয়েছেন। সেখানে কিরগিজস্তানের বিশকে'তে এসসিও (SCO) সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে 'বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে একটি বৈঠকের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্মেলনের ফাঁকে মোদীর সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়েরও সাক্ষাতের সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আনুষ্ঠানিক সময়সূচি ঠিক করা হয়নি।
বৈঠকে দুই নেতা ভারত-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক বিষয়গুলো পর্যালোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।' অন্যদিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব বিক্রম মিশ্রী জানিয়েছেন 'সম্প্রতি মস্কোতে ভারত-রাশিয়া আন্তঃ-সরকারি কমিশনের (IRIGC) অত্যন্ত সফল একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশকেকে এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে দুই নেতার বৈঠকের সময় উভয় পক্ষই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সমস্ত দিক পর্যালোচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।'
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর রাশিয়া সফরের সময় ক্রেমলিনে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং প্রধানমন্ত্রী মোদীর 'শুভেচ্ছা' পৌঁছে দেন। এই ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই এই নির্ধারিত বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। জানা যাচ্ছে, এই সম্মেলনের ফাঁকে মোদীর সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়েরও সাক্ষাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই দুইদেশের মধ্যে পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আনুষ্ঠানিক সময়সূচি ঠিক করা হয়নি।
২০০১ সালে চীন, রাশিয়া এবং মধ্য এশিয়ার চারটি রাষ্ট্র একটি নিরাপত্তা ফোরাম হিসেবে এসসিও (SCO) প্রতিষ্ঠা করেছিল। গত পঁচিশ বছরে এর আকার ও প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখনও এর কর্মসূচি অস্পষ্ট। এছাড়াও, আন্তর্জাতিক পরিচিতি বা 'ব্র্যান্ড রিকগনিশন' এখনও সীমিত। এর আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদী উজবেকিস্তানে দুদিনের সফর করেছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে 'উজবেকিস্তানে রাষ্ট্রীয় সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী ও প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরজিওয়েভ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এই সম্পর্ক শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে গড়ে ওঠা সভ্যতাগত বন্ধন। এবং এটি জনগণের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।'