নয়াদিল্লি, নিউজ ডেস্ক: মাত্র চার সেকেন্ডের একটি ভিডিয়ো। আর তাতেই সরগরম হয়ে উঠেছে পাকিস্তান। এই ভিডিয়োর সাথে জুড়ে আছে ২০০৮ সালের ২৬/১১-য় মুম্বাইয়ে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলা। ওই হামলায় সমুদ্রপথে ১০ জন সন্ত্রাসী এদেশে প্রবেশ করেছিল। শহরজুড়ে চলেছিল আক্রমণ। তিনদিনের ওই হামলায় ১৬৬ জন মারা যান। আহত হন আরও অনেকে।
এই হামলায় মূল নাম উঠে আসে জাকি-উর-রেহমান লকভি'র। কিন্তু ভিডিয়োর ঘটনাটা কী? আর জাকি-উর-রেহমান লকভি প্রসঙ্গ এল কেন? প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নথিপত্র থেকে জানা গেছে, তিনি লস্কর-ই তৈবা'র অপারেশনাল প্রধান ও সামরিক কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও লকভি বেশ কিছু সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার সাথে যুক্ত ছিলেন।
সূত্র: https://x.com/NewsAlgebraIND/status/2094329757282222331
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিয়োটিতে দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তানে এক অজ্ঞাত বন্দুকধারীর গুলিতে হাফিজ জুলফিকার নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টগুলি তাঁকে সন্ত্রাসী সংগঠন 'জইশ-এ-মহম্মদ'-র রিক্রুটার হিসেবে পরিচয় দিয়েছে। তবে হাফিজ জুলফিকারের আরেকটি পরিচয়, ২৬/১১ মুম্বাই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী জাকি-উর-রেহমান লাখভির আত্মীয়।
ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে,এক ব্যক্তি পেছন থেকে হাফিজের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এরপর ওই ব্যক্তি হাফিজের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করে। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়ে হাফিজ। হামলাকারী পালিয়ে যায়। তবে, ভাইরাল হওয়া এই ভিডিয়োর সত্যতা এবং নিহত ব্যক্তির পরিচয় JAZZBAAT 24 BANGLA সংক্রান্ত কোনও খোঁজ করেনি।
ভারতের প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডিপি পান্ডেও ভিডিওটি শেয়ার করেছেন। তিনি লেখেন 'লুকানোর কোনো জায়গা নেই, মৃত্যু-ই শ্রেয়।' এই বার্তার মাধ্যমে তিনি পরোক্ষে সন্ত্রাসবাদের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের ইঙ্গিত করেছেন। এমনটাই ভাবা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে নেটাগরিকদের দাবি, জুলফিকার জইশ-এ-মহম্মদের নিয়োগকারী এবং লকভির আত্মীয়। আবার অন্যদিকে ঘটনাটিকে পাকিস্তানে 'অজ্ঞাত বন্দুকধারীর আরেকটি হামলা' বলে জানানো হয়েছে।