মালদহ, নিউজ ডেস্ক: মালদহের চাঁচলে এসে দলীয় সাংগঠনিক সভা করলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার দুপুরে চাঁচল শহরের একটি অতিথি আবাসে আয়োজিত ওই সভায় দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। সেখান থেকেই তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইয়ে যাওয়া ২০ জন সাংসদ এবং ঋতব্রতপন্থী বিধায়কদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।
পাশাপাশি, কাকলি থেকে ঋতব্রতদের একযোগে ‘গদ্দার’ বলে কটাক্ষ করেন তৃণমূল সাংসদ। কল্যাণ বলেন, ইতিহাসের পাতায় মীরজাফরের পরে তাদের নাম কলঙ্কিত হয়ে থাকবে। এমনকি, চাঁচলের স্থানীয় বিধায়ককে চারশো বিশ বা ৪২০ বলে আক্রমণ আক্রমণ করেন কল্যাণ। তাঁর কথায়, ‘নিজের বিধানসভা এলাকায় ঢুকতে পারছেননা। ঢুকলেও ৩০ জন পুলিশকে নিতে হচ্ছে বলে কটাক্ষ করেন।’
একইসঙ্গে দলের সাংগঠনিক শক্তি আরও মজবুত করা এবং রাজনৈতিকভাবে বিরোধীদের মোকাবিলার বার্তাও দেন তিনি। কল্যাণের এই আক্রমণাত্মক মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।
রাজ্যে দীর্ঘ ১৫ বছর পর পালাবদল ঘটেছে। ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। এখন একদিকে কালীঘাট তৃণমূল অন্যদিকে ঋতব্রতীপন্থী তৃণমূল,যাদেরকে মূলত তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির'বলা হচ্ছে। তবে এই ঋত তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা দাবি করছেন তাঁরাই আসল তৃণমূল। এইসবের মধ্যেই কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ২০ জন তৃণমূল সাংসদ NCPI-তে যোগ দিয়েছেন। এক্ষেত্রে NCPI-এর মতো 'ঋতব্রত তৃণমূল' বিজেপি ঘেঁষা বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।