কলকাতা, নিউজ ডেস্ক: নিট কাণ্ডের জেরে কিছুদিন আগেই দিল্লির রাজপথ থেকে শুরু করে যন্তর মন্তর, সব জায়গাতেই নতুন প্রজন্মের ঝাঁঝালো প্রতিবাদের সাক্ষী থেকেছিল গোটা দেশ। সেই ক্ষোভের আঁচ ধীরে ধীরে স্তিমিত হতেই দলের সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বার্তা ছিল স্পষ্ট,আগামী দিনের নেতৃত্ব দিতে গেলে যুবসমাজের নাড়ি বুঝতে হবে এবং বাড়াতে হবে নিবিড় জনসংযোগ।
শীর্ষ নেতৃত্বের সেই কৌশলকে সামনে রেখেই এবার বঙ্গ বিজেপি নতুন প্রজন্মের আস্থা অর্জনে নামছে এক অভিনব মঞ্চে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত হতে চলেছে বহুচর্চিত ‘জেন জি উৎসব’।
কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের সক্রিয় উদ্যোগে এই মেগা ইভেন্টটি সাজানো হয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে দাঁড়িয়ে কেরিয়ার, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ ভাবনার প্রশ্নে সরকারের সঙ্গে তরুণদের যে ফারাক তৈরি হয়েছিল, তা সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে দূর করাই এর মূল লক্ষ্য। নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা, সমস্যা এবং তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি সরাসরি শুনে নীতি নির্ধারণে আস্থার পরিবেশ গড়ে তুলতে চাইছে গেরুয়া শিবির।
তরুণ মনকে আকৃষ্ট করতে অনুষ্ঠানের মঞ্চে আনা হচ্ছে বিনোদন ও সংস্কৃতি জগতের একঝাঁক জনপ্রিয় মুখকে।
উদ্যোক্তা সংস্থার তালিকায় নাম রয়েছে পদ্মশ্রী প্রাপ্ত অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের। পাশাপাশি সঙ্গীতজগতের পরিচিত মুখ অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, পৌষালী বন্দ্যোপাধ্যায়, রথীজিৎ এবং জনপ্রিয় সুরকার জুটি সৌরেন্দ্র-সৌম্যজিৎ এই মেগা আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন।
বিক্ষোভের পাল্টা কর্মসূচি কি না, এই প্রশ্নে সুকান্ত মজুমদারের দাবি, একটি সংস্থার মাধ্যমে যুবসমাজকে ডাকা হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশ মেনেই তাঁরা উপস্থিত থাকবেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজে যখনই যুবসমাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হন, তখন সমস্ত বিরোধীদের রাজনৈতিক ইনিংস কার্যত গুটিয়ে যায়। এখন আর কোনও ধোঁয়াশা নেই। সব মিলিয়ে, তরুণদের কাছে টানার এই অভিনব মেলবন্ধন তিলোত্তমার রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে চলেছে।