বাঁকুড়া, নিউজ ডেস্ক: বাইরে থেকে সাজানো-গোছানো হোটেল, কিন্তু রান্নাঘরের ভেতরে কী চলছে? খাবার পাতে যা পড়ছে, তা অমৃত নাকি বিষ? খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহের আবহেই বাঁকুড়ায় একের পর এক খাবারের দোকানে অভিযান চালিয়ে চোখ কপালে ওঠার জোগাড় হয়েছিল প্রশাসনিক কর্তাদের।
কোথাও ভেজাল মশলা আর রাসায়নিকের কারবার, কোথাও তাকভর্তি সময় পেরিয়ে যাওয়া পানীয়। এমনকি জয়পুরের এক দোকানে দইয়ের ভাঁড়ের পাশেই অবাধে কিলবিল করতে দেখা গেছে জ্যান্ত সাপ!
সেই আতঙ্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার একেবারে অন্য ভূমিকায় দেখা গেল কোতুলপুরের বিধায়ক লক্ষ্মীকান্ত মজুমদারকে। কোনো আগাম বার্তা না দিয়ে সকাল সকাল তিনি সোজা ঢুকে পড়লেন এলাকার এক চেনা হোটেলের হেঁশেলে।
টেবিল ছাড়িয়ে বিধায়কের নজর তখন সোজা কড়াই আর মশলার কৌটোয়। রান্নাঘরের প্রতিটি কোণ ঘুরে দেখলেন তেল কেমন ব্যবহার হচ্ছে, পরিচ্ছন্নতা বজায় আছে কি না, কিংবা বাসি খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে কি না। শুধু চোখেই দেখা নয়, হোটেলের খাবার নিজে চেখে পরখ করলেন গুণমানও।
অভিযান শেষে কড়া সুরেই তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন মানুষের পেটে বিষ ঢেলে ব্যবসা চালানো যাবে না। সাধারণের সুস্বাস্থ্যের প্রশ্নে সরকার একচুলও আপস করবে না। যদি খাবারে ভেজাল থাকে বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না হয়, তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর এমন কড়া দাওয়াই দেবে যা হোটেল মালিকদের আজীবন মনে রাখতে হবে।